বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অন্য কোনো রাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সিসিকের সাবেক প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। তিনি বলেছেন, ‘৭১ কখনো অন্য কোনো ইতিহাসের সঙ্গে মিলবে না। বাংলাদেশের সবচেয়ে গৌরবজনক অর্জন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ।’
শনিবার (২৮ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সিলেটের কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ মিলনায়তনে মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে কয়েস লোদী বলেন, ‘অবশ্যই ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানে যাঁরা শহীদ হয়েছেন এবং ছাত্র নেতৃবৃন্দ যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, সবার অবদানকে আমরা স্বীকৃতি দিই। এটা আমাদের উদারতা। আমরা কারও বিজয় ছিনিয়ে নিতে চাই না। কিন্তু সবার আগে আমাদের একাত্তরকে সম্মান করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সমুন্নত রাখার পর আসবে ৭৫, ৭৯, ৯০ কিংবা ২৪-এর প্রসঙ্গ।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪-এ একটি স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়েছে জনদাবির মুখে। তবে রাষ্ট্র নতুনভাবে বিনির্মাণ হয়নি, বরং অর্জিত রাষ্ট্রকে রক্ষার লড়াই চলছে। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র আমাদের ছিল, যা লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে। এখন সেই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে যাতে নতুন কোনো স্বৈরাচারের উৎপত্তি না হয়। গণতান্ত্রিক চর্চা ও আলোচনার মাধ্যমেই আমাদের রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে হবে।’
বক্তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে এবং মহান স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি সৈয়দ রহিম মল্লিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুকুল মুর্শেদ, মতিউল বারী মতি, মাহবুবুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, প্রচার সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মোহন, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান আরাফাত চৌধুরী জাকি, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ লোকমানুজ্জামান, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সালেহ আহমদ গেদা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রহিম আলী রাসু ও জাহাঙ্গীর আলম জীবন, সহ প্রচার সম্পাদক- আলী হায়দার মজনু, সহ-দপ্তর সম্পাদক- আব্দুল মালেক, সদস্য- আব্দুল মুনিম ও মতিউর রহমান শিমুল। থানা নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিমানবন্দর থানা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল কাদির সমছু ও সদস্য সচিব সৈয়দ সারোয়ার রেজা, শাহপরান থানা বিএনপির সদস্য সচিব খূর্শেদ আহমদ খুশু। ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের মধ্যে ৩৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আল মামুন খান, ৩৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তাজ উদ্দিন তাজ ও সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আহমদ, ৩১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তাহির আলী ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, জেলা শ্রমিক দল সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সল আহমদ, বিএনপি নেতা অজিজ মোহাম্মদ কাওসার, এনামুল আজিজ মুন্না, মহি উদ্দিন মহিন, ২২ নং ওয়ার্ড মহিলা দলের সভাপতি প্রকৌশলী নুপুর প্রমুখ।-বিজ্ঞপ্তি