মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারীর ডিমলা ও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায়
অবস্থিত ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিনোদন প্রেমী মানুষের ভিড় জমে উঠেছে বিভিন্ন স্থান থেকে কেউ মোটরসাইকেলে, কেউ অটোরিকশায় আবার কেউ মাইক্রোবাসে ও কেউ সিএনজিতে করে তিস্তা ব্যারেজে আসছেন বিনোদন পেতে।
ঈদুল আযহা'র ঈদ আনন্দে তিস্তাপাড়ে ঈদে বিনোদনে মানুষজন পরিবার পরিজন নিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেছেন, তিস্তা নদীর ঠান্ডা পানিতে ছুটে চলছে পালতোলা নৌকা সহ স্পিডবোট এ যেন সমুদ্রের তীরের সৈকতের ছোঁয়া এবং ঈদের প্রথম দিনে দেশের সর্ববৃহৎ ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজে বিনোদন প্রেমী মানুষদের ভিড় দেখা যায়।
তিস্তা পাড়ে রীতিমত গ্রামীন মেলা বসেছে ও নানা রকম পণ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে দোকানগুলো। বিভিন্ন খেলনা, বাঁশি, বেলুন, মাটির গাড়ি ও খাবারের দোকান। ঈদের দিন (বৃহস্পতিবার ২৮ মে) সরেজমিনে গেলে দেখা যায় ঈদুল আযহার ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে উৎসব আর আনন্দে মেতে উঠেছে পুরো তিস্তা ব্যারেজ ডালিয়া এলাকায় বিনোদনপ্রেমী মানুষেরা। পর্যটকদের উৎসাহিত করতে ডালিয়া এলাকায় তিস্তায় চলছে স্পিটবোট এগুলো দ্রুত বেগে এ পাশ থেকে ওপাশে ছুটে চলছে পর্যটকদের নিয়ে। স্পিডবোট ও পালতোলা নৌকায় তিস্তার ঢেউ খেলানো বুকে ভাসছেন পর্যটকরা। ও তিস্তা নদীর পানির বড় বড় ঢেউ এসে ধাক্কা দিচ্ছে তিস্তার কোলে ছিটকে আসা তিস্তার পানিতে আনন্দে মেতে উঠছে বিনোদন প্রেমীরা।
ঘুরতে আসা কয়েকজন দর্শনার্থী বলেন, ঈদ আনন্দে প্রতি বছর এই তিস্তা ব্যারেজে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। বছরে দুই ঈদে পরিবার পরিজন নিয়ে এই তিস্তা ব্যারেজে ঘুরতে আসি। অনেক আনন্দ উপভোগ করি। এই জায়গাটি পর্যটক এলাকা করার জন্য দাবি জানাই। ঈদের দীর্ঘ ছুটি থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে তিস্তা ব্যারেজে এসেছি। তিস্তা ব্যারেজে স্পিডবোটে উঠে আরও অনেক আনন্দ লাগছে। ঈদে এখানে এসে অনেক মজা করেছি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। এটাই আমাদের কাছে প্রকৃতির বড় বিনোদনের আস্থা।
এদিকে এক অটো চালকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, কোরবানি ঈদ তাই আজকে ঈদের দিন বিকেল বেলায় প্রচন্ড গরম অন্যদিকে মানুষজন কোরবানির গোস্ত নিয়ে ব্যস্ত লোকজনের সংখ্যা আজকে একটু কম দেখা যাচ্ছে আগামী দুই তিন দিন লোকজনের সংখ্যা আরও বেশি হবে। এদিকে স্থানীয় সাথে কথা হলে তারা বলেন, ডালিয়া তিস্তা নদীর ধারে একেবারে গ্রাম্য পরিবেশে হলেও নিরাপত্তা নিয়ে তেমন কোনো ঝুঁকি পোহাতে হয়না প্রতিবছর দুটি ঈদে লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা এবং নীলফামারী জেলার ডিমলা থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যসহ হাইওয়ে পুলিশ বিনোদনপ্রেমী মানুষদের নিরাপত্তা দিয়ে থাকেন।