
মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে বেঞ্চ নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে আল আমিন (১৬) নামে এক শিক্ষার্থীকে ছুরি দিয়ে আহত করার ঘটনার পর উত্তেজনা বিরাজ করছে ডিমলা উপজেলায়।
এ ঘটনায় একদিকে যখন আহত শিক্ষার্থী আল আমিন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে অন্যদিকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন।২৭ নভেম্বর ১২টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে ঘটে এ হামলার ঘটনা, গুরুতর আহত আল আমিন ডিমলার সরদারহাট গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে। হামলাকারী নাসিম ইসলাম দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী, বাড়ি বাবুরহাট এলাকায়।
হামলার পরপরই স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা রাব্বি হাসান দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের সহযোগিতায় নাসিমকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ আনোয়ার বলেন, নাসিম আমাদের কলেজের ছাত্র তার এমন আচরণে নিন্দা জানাই। তাকে পালাতে সহযোগিতা করেছি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এদিকে (২৮ নভেম্বর) আল আমিনের পরিবার বাদী হয়ে ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করেছে। মামলার পর শনিবার (২৯ নভেম্বর) কলেজ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নাসিম হোসেন কে বহিষ্কার করেছে।
এ ঘটনার সহযোগী স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা রাব্বি হাসানকে আজ (২৯ নভেম্বর) বিকেলে পশ্চিম ছাতনাই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিমলা থানা পুলিশ। তাকে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিমলা থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক পরিতোষ কুমার বর্মণ। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাব্বি হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। ঘটনার প্রতিবাদে জেলা পরিষদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।



