মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদীর বিস্তীর্ণ বালুচরে এখন তরমুজের সবুজ সমারোহ। একসময়ের অনাবাদি ও পরিত্যক্ত বালুচরে এখন কৃষকেরা নতুন স্বপ্ন বুনছেন। টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চরঞ্চলে তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন পেয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন স্থানীয় কৃষকরা। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও কৃষি বিভাগের সহায়তায় এ অঞ্চলে খুলেছে এক নতুন কৃষি সম্ভাবনার দুয়ার।
সরেজমিনে দেখা যায়, ধু-ধু বালুচর জুড়ে সারিবদ্ধ তরমুজ ক্ষেত। সবুজ লতার ফাঁকে ফাঁকে বড় আকারের রসালো তরমুজ। কৃষকদের ব্যস্ততা এখন ফসল সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণে। স্থানীয় তরমুজ চাষিরা জানান, আশ্বিন মাসে বিশেষ পদ্ধতিতে বীজ বপণের মাধ্যমে তরমুজ চাষ শুরু হয় আর চৈত্র মাসে পাওয়া যায় ফলন। কিসামতের চরের কৃষক ফজলু মিয়া বলেন, আগে এই জমি একেবারেই অনাবাদি ছিল।
এখন তরমুজ চাষ করে ভালো লাভ হচ্ছে। একই এলাকার কৃষক সামছুল হক ও কবির হোসেন জানান, বালুর চরে এত ভালো ফলন হবে ভাবিনি। এখন অনেকেই এই চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। প্রতি বিঘা জমিতে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট লাভ হচ্ছে, যা তাদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলছে।