মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ছাতনাই এলাকার মেধাবী সন্তান খায়রুল ইসলাম, যিনি নীলফামারী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গোপালনগর মহিলা আলিম মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন, তাঁর ওপর এই শারীরিক নির্যাতনকে কোনোভাবেই মেনে নিচ্ছেন না নীলফামারীসহ দেশের মানুষ এই জঘন্য ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ভুক্তভোগী খায়রুল ইসলামের প্রতিবেশীরা জানায়, ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে তার ওপরে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে, যে শিক্ষক জ্ঞানদান করেন এমন একজন শিক্ষকে শিক্ষার্থীদের সামনে অপমান, হয়রানি এবং এমনকি শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, বরং শিক্ষা পরিবেশকে কলুষিত করার একটি জঘন্য উদাহরণ এবং সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নৃশংস হামলা। যে শিক্ষক শত শত কিলোমিটার দূরে নিজের জেলা ছেড়ে জাতি গঠনের দায়িত্ব নিয়েছেন, তাঁর নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত না করা হলে তা পুরো জাতির জন্য লজ্জা ও অপমানের বিষয়। এবং এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এভাবে অপদস্থ করা হলে ভবিষ্যতে কেউ আর আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনে উৎসাহী হবে না।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী খায়রুল ইসলামের স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, যে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে, যা একটি লজ্জাজনক ঘটনা। অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায়, এমন ঘটনা বারবার ঘটবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি তার মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সম্মানের স্থান হারাবে। শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষা করা মানে জাতির ভবিষ্যৎ রক্ষা করা।