মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার চাঞ্চল্যকর নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর গণধর্ষণ মামলার মূল আসামি কাজল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিমলা থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ মে) দিবাগত রাতে লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা থানা এলাকায় ডিমলা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
ডিমলা থানা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের তালতলা সরকারপাড়া গ্রামের ১৫ বছর বয়সী
নবম শ্রেণির ছাত্রী লিমু আক্তার (ছদ্মনাম) শৈশবকাল থেকে তার নানার বাড়িতে অবস্থান করে পড়াশোনা করে আসছিলো। ঘটনার দিন বাড়ির সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে একই এলাকার কাজল রানা (২১) ও মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪) ভিকটিমকে জোরপূর্বক ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে মুমূর্ষ অবস্থায় রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এলাকাবাসী তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় গত ৬ এপ্রিল ভিকটিমের নানী বাদী হয়ে ডিমলা থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যায়। গত ২৮ এপ্রিল ডিমলা থানার পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এজাহারভুক্ত ২নং আসামি মুন্না ইসলাম মান্নানকে (২৪) ঢাকার উত্তরায় র্যাব-১ এর সহায়তায় গ্রেপ্তার করে। এর ৮ দিনের মাথায় (৫ মে) মামলার অন্যতম মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শওকত আলী সরকার।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. শওকত আলী সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার কাজল রানাকে আগামীকাল জেলা আদালতের জেল হাজতে পাঠানো হবে। গণধর্ষণের মামলার ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। ঘটনার সময়ে ভিকটিমের পরিধেয় বস্ত্রে কোন পুরুষের ডিএনএ আছে কিনা, তা ধৃত আসামিদের ডিএনএ স্যাম্পলের সঙ্গে ম্যাচিং করা সহ অন্যান্য ডিজিটাল এভিডেন্স ও বস্তুগত সাক্ষ্য নিবিড় ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।