মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের কাকড়া বাজার হাই স্কুলের ঐতিহাসিক মাঠে কাকড়া বাজার যুবসমাজের উদ্যোগে মাদক বিরোধী একরামুল হক চৌধুরী প্রাইজমানি মেগা ফাইনাল ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলা-২০২৬' ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে মাদক, জুয়া ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখার প্রত্যয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণ করে বোদা পঞ্চগড় বনাম ঢাকা ফুটবল একাদশ, বোদা পঞ্চগড় ১-০গোলে ঢাকা একাদশ হারিয়ে পঞ্চগড় বোদা চ্যাম্পিয়ন হয়। খেলা উপলক্ষে মাঠে বিপুল সংখ্যক দর্শকের সমাগম ঘটে এবং উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
খেলার অনুষ্ঠানে ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন, ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম রব্বানী প্রধান, ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত আলী সরকার, ডিমলা উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশিকুর রহমান আকিক, টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম শাহীনসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাসহ সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক।
এ সময় ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এ্যাব)-এর আহ্বায়ক ও নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানায় অতিথিরা। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা যুব সমাজকে সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি শৃঙ্খলাবোধ, ভ্রাতৃত্ববোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন ও খেলাধুলার বিকল্প নেই। তরুণদের সঠিক পথে পরিচালিত করতে এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এবং কাকড়া বাজার যুব ক্রীড়া চক্র আয়োজিত একরামুল হক চৌধুরী প্রাইজমানি ফুটবল টুর্নামেন্ট- এর ফাইনাল খেলায় আয়োজক বৃন্দ অতিথিদের মাঝে সম্মানানা স্মারক প্রদান করেন। আয়োজকরা জানায় এলাকার তরুণদের ক্রীড়ামুখী করতে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।