মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদী থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে গিয়ে টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান, সাংবাদিক, গ্রাম পুলিশ ও থানা পুলিশের সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। ১৯ মার্চ টেপাখড়িবাড়ি একতা বাজার ও তেলিবাজার তিস্তা পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- ৯ নং টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন, ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমির আফসার আলী, টেপাখরিবাড়ী এলাকার আলিমুদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন, লোকমান, পুলিশ সদস্য রবিউল ইসলাম ও ঠাকুরদাস প্রায় ২০ জন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিস্তা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে বোমা মেশিন লাগিয়ে একটি চক্র অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছেন। গতকাল টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন নদী থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধের ঘোষণা দেন। তবে আজকে সকালের দিকে চক্রটি নদী থেকে পাথর উত্তোলন শুরু করেন। সেটি জানার পরে চেয়ারম্যান কয়েকজন গ্রাম পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান।
এ সময়ে পাথর উত্তোলনকারী চক্রের সদস্যরা চেয়ারম্যানের ওপর হামলা করেন। এতে চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা গুরুতর আহত হয়। পরে থানা পুলিশ ও সাংবাদিকরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালায় চক্রের সদস্যরা। এ সময় তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দায়িত্বরত চিকিৎসক চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।