
মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারী-১ ডোমার ডিমলা আসনে নির্বাচিত হয়ে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার প্রথমবারের মতো যাচ্ছেন জাতীয় সংসদে। তার প্রতি মানুষের প্রত্যাশাও অনেক। ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল- প্রতিটি নির্বাচনেই নীলফামারীর কোনো না কোনো সাবেক বা অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যের আধিপত্য ছিল। তবে ব্যতিক্রম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। এবার নীলফামারী-১ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্যই নতুন মুখ অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার। তিনি এর আগে সংসদ সদস্য ছিলেন না। তবে এলাকার উন্নয়নে পাশাপাশি মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি ও দূর্নীতি বন্ধসহ এলাকাবাসীর প্রত্যাশা পূরণে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন নির্বাচিত এই এমপি।
নীলফামারী ১ (ডোমার-ডিমলা) এ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে বিএনপি জোটের হেভিওয়েট প্রার্থী ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশে মাওলানা মো. মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি (খেজুরগাছ)। তিনি ভোট পান ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৯। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার (দাঁড়িপাল্লা) ১ লাখ ৫০ হাজার ৮২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এই আসনটি কোন সময় জামায়াতের অনুকুলে ছিল না। কিন্তু এবারই প্রথম প্রথমবার প্রার্থী হয়ে জামায়াতের জেলা আমির আব্দুস সাত্তার বাজিমাত করেছেন বিজয়ী হয়ে।
বিগত ১২টি নির্বাচনের বিশ্লেষনে দেখা যায় আসনটিতে প্রথম, পঞ্চম, অষ্টম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিজয়ী হন। দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি, তৃতীয়, চতুর্থ, সপ্তম ও নবম সংসদে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছিলেন। এই আসনে ১৯৯১ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারী পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থী দিয়েছিলেন। ওই সময় জামায়াতের প্রার্থী ইছহাক আলী পঞ্চমে ২২ হাজার ২৬৩ পেয়ে ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে তৃতীয় ও সপ্তমে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ হাজার ১৩৭ ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে ছিলেন। ত্রয়োদশে এসে আসনটিতে জামায়াত বাজিমাত করেছেন জামায়াতের প্রার্থী নীলফামারী জেলা আমির আব্দুস সাত্তার।



