
মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম নিয়োগের পরে সংবর্ধনা জানিয়েছেন নীলফামারী জেলা বিএনপি।
এ সময় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নীলফামারী জেলা বিএনপির সভাপতি আ.খ.ম আলমগীর সরকার, ও অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন সাবেক সভাপতি ডিমলা উপজেলা ও সদস্য জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি, ও গোলাম রব্বানী প্রধান সদস্য নীলফামারী জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটি, এবং ডোমার উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি রেয়াজুল ইসলাম কালুসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এদিকে, মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিনের সঙ্গে নবনিযুক্ত নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীমের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। এসময় তিনি নীলফামারীর উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য নতুন প্রশাসকের সফল নেতৃত্ব কামনা করেন।
মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য নীলফামারী জেলা বিএনপির উপদেষ্টা সদস্য। এছাড়া তিনি জেলা আইনজীবী সমিতির তিনবারের সহসভাপতি ও উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার দুইবারের সহসভাপতি, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পিপি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব খোন্দকার ফরহাদ আহমেদের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার ভিত্তিতেই তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক। তার রাজনৈতিক জীবন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমান চৌধুরী ১৯৭৮ সালে জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তার রাজনৈতিক পথচলা। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
এ ছাড়া দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থেকে বিভিন্ন সংকট ও দুর্দিনে বট বৃক্ষের মতো ছায়া দিয়েছেন তিনি। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তার এই নিয়োগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নীলফামারী জেলা বাসী। জেলা পরিষদের কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। নবনিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী জানান, ১৯৭৮ সালে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দিয়ে নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে নীলফামারীর বিএনপিকে দাঁড় করিয়েছেন তিনি। সরকারও তার ওপর যে আস্থা রেখেছে, সে আস্থার মর্যাদা রাখতে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জেলা পরিষদের দায়িত্ব পালন করবেন।


