খালেদা জিয়া' কে জেন্টল পাওয়ার' উল্লেখ করে বিএনপির সংগ্রামী নেতা, (আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন, দলের সিদ্ধান্তে নমিনেশন সাবমিট করেননি) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রাত্তন কেন্দ্রীয় নেতা, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট নগরীর আব্দুল গফুর স্কুল এন্ড কলেজ গর্ভনিং বডির প্রাত্তন সভাপতি জননেতা মাহবুব চৌধুরী বলছেন, তার রাজনৈতিক জীবনের শেষ মূল্যায়ন- কত পদ পেয়েছেন তা নয়, কতদিন ক্ষমতায় থেকেছেন তাও নয়, বরং তিনি জাতির স্মৃতিতে কত গভীর আবেগ রেখে আছেন সেটাই তার মূল্যায়ন।
তাহার সাথে স্মৃতিচারণ করে তিনি আরো বলেন, মেডাম আমাদেরকে সন্তানের মত ভালবাসাতেন। খালেদা জিয়াকে ঘিরে মানুষের প্রতিক্রিয়া একটি নিঃশব্দ স্বীকারোক্তি- তাঁর অবদান স্মরণ করা। তাঁর শাসনে অগ্রাধিকার পেয়েছিল সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বাস্তবতা। তার মধ্যে ছিল শিক্ষার জন্য খাদ্য, গ্রামীণ সেবামূলক কর্মসূচি, কর্মসংস্থান, কাঠামোগত সংস্কার। এগুলো বাংলাদেশকে ধীরে ধীরে আরও উদার অর্থনীতির দিকে নিয়ে গেছে। ১৯৯০ সালে সামরিক সরকার পতনের পেছনে তাঁর সংগঠিত গণআন্দোলন এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর আওয়ামীলীগ বাংলাদেশে ফ্যাসিজম কায়েম করে তার ওপর যে অত্যাচার করেছিল, মানুষের দিকে তাকিয়ে তিনি তা সহ্য করে গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বাংলাদেশ তাঁকে শুধু একজন রাজনৈতিক কৌশলী হিসেবে মনে রাখবে না- মনে রাখবে নাগরিক আকাঙ্ক্ষার ধারক হিসেবে- যাঁর নেতৃত্ব ছিল বিনয়ে আবৃত।
তিনি আজ ১২ জানুয়ারি সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটি আয়োজিত প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কর্ম নিয়ে স্মৃতি চারণে শোক বইয়ে উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
এ কর্মসূচীতে আরো লিখেন বিএনপি নেতা আব্দুল জলিল, আনহার আহমদ, আহছানুজ্জামান শহিদ, বদরুল ইসলাম তালুকদার প্রমূখ।