সুনামগঞ্জ ২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নাছির উদ্দীন চৌধুরীর পক্ষে শাল্লা উপজেলায় নির্বাচনী প্রচার সভায় অংশগ্রহণ শেষে দিরাইয়ে ফেরার পথে বিএনপির অপর গ্রুপের হামলায় মারাত্মক আহত হয়েছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবপক যুগ্ম সম্পাদক, দুধ ওয়ালার কর্ণধার আজমল হোসেন চৌধুরী জাবেদ। তিনি দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে রেফার্ড করা হয়।
এই আসনের অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশী তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেলের সমর্থক মহিউদ্দিন মিলাদ, আবু হাসান চৌধুরী সাজু, ফয়সলসহ ১৫-২০ জন জাবেদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা করে। দীর্ঘ দিন থেকে দিরাইয়ে নাছির গ্রুপ ও পাভেল গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। আহত জাবেদের সমর্থকরা জানান জাবেদ নাছির চৌধুরীর জন্য অত্যান্ত নিবেদিত ছিলেন। তার উপর হমলা করিয়ে দলে বিভেদ বিভাজন তৈরি করে ভোটারদের মাঝে তা ছড়িয়ে দিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী নাছির চৌধুরীর বিজয়কে বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছেন। পক্ষান্তরে জামাতের প্রার্থীকে সুযোগ করে দিতে চাচ্ছেন। সে তো অনেক চেষ্টা করে ও নমিনেশন পায়নি। সে আমাদের সাথে থাকলেও ছদ্মবেশে নানা কৌশলে নাছির চৌধুরীর ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।
এ ঘটনায় দিরাইয়ে বিএনপির আভ্যন্তরিন কোন্দল আবার মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে। এ ঘটনা ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনরা নানা কথা ও মন্তব্য করছেন। তারা বলছেন বিএনপির এই সমস্ত কোন্দল, বিভেদ বিভাজন নির্বাচনে ক্ষতি বয়ে আনবে। অনেক আসন তাদের হাত ছাড়া হবে। এই সন্ত্রাসীদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা উচিৎ। তার উপর হামলা ভোটারদের কাছে ধানের শীষের ইমেজকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
উল্লেখ্য আজমল হুসেন চৌধুরী জাবেদ এ আসনে বিএনপির একজন মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান অফিসে সিলেট বিভাগের অনুষ্ঠিতব্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সভায় অংশ ও নিয়েছিলেন।
প্রতিক বরাদ্দের পর বিএনপির আভ্যন্তরিন কোন্দলে কোন মনোনয়ন প্রত্যাশীর উপর হামলা সিলেট বিভাগে এটা প্রথম ঘটনা।