সিলেট প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছে দৈনিক জালালাবাদ সম্পাদক মুকতাবিস-উন-নুর আর সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন দৈনিক সিলেটের ডাকের প্রধান প্রতিবেদক সিরাজুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রেসক্লাব ভবনে এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ রাতে ফল ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত ফলাফর অনুযায়ী সভাপতি মুকতাবিস-উন-নুর পেয়েছেন ৫৪ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি সময় টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান ও ক্লাবের বর্তমান সভাপতি ইকরামুল কবির পেয়েছেন ৩৬ ভোট। এ নিয়ে ৭ম বারের মতো প্রেসক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হলেন নুর।
সাধারণ সম্পাদক পদে সিরাজুল ইসলাম ৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তা নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান ইয়াহইয়া ফজল পেয়েছেন ৩২ ভোট।
অন্য পদগুলোর মধ্যে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে এমএ হান্নান, সহ-সভাপতি পদে মো. ফয়সল আলম, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে খালেদ আহমদ, কোআধ্যক্ষ পদে ফয়সল আমীন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে শেখ আশরাফুল আলম নাসির, পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মো. মুহিবুর রহমান এবং সদস্য পদে যথাক্রমে মুহাম্মদ আমজাদ হোসেন, আনাস হাবিব কলিন্স ও আব্দুল আউয়াল চৌধুরী শিপার বিজয়ী হয়েছেন।
বিজয়ী প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপি নেতা, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রাত্তন কেন্দ্রীয় নেতা, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী জননেতা মাহবুব চৌধুরী বলেছেন, রাজনৈতিক দলকে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে পরিচালনায় সহায়তা করতে হবে। যদিও ফ্যাসিবাদের অনুঘটক ছিল বেশিরভাগ সংবাদপত্র ও সাংবাদিকরা। শেখ হাসিনার সরকার থেকে সুবিধা নিয়ে রাতের ভোটের পরও তারা সত্য প্রকাশ করেনি, প্রতিবাদ করেনি। দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে তারা তেমন সোচ্চার ছিলনা। বিএনপি ৩১ দফায় মিডিয়া কমিশন গঠন সহ তথ্য ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা আছে।
পেশাদারিত্বের বাইরে যারা গণমাধ্যম ব্যবহার করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত। সত্য প্রকাশকে উৎসাহিত করা ও সাংবাদিকদের কল্যানে নির্বাচিতরা আরো জোরালো ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন বিএনপির এই নেতা।