সুজন আলী, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ চৌরাস্তা থেকে নেকমরদ মাজার মসজিদ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দ ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটি এখন কার্যত মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে এবং প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। উপজেলার সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র নেকমরদ বাজারের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন রাতোর ও বাচোর ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। এছাড়া শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রোগীবাহী যান, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও সাধারণ পথচারীদের জন্য এটি অন্যতম ব্যস্ত সড়ক। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই জনদুর্ভোগ লাঘবে জরুরি ভিত্তিতে সড়কটির সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তে পানি জমে রয়েছে। কোথাও কোথাও গর্তের গভীরতা বোঝার উপায় নেই। ফলে যানবাহন চলাচলের সময় চালকদের চরম সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে। মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও ভ্যানচালকদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। পথচারীরাও কাদা ও জমে থাকা পানি এড়িয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়ছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম বলেন, "এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এমন বেহাল অবস্থা থাকলেও কোনো কার্যকর সংস্কার করা হয়নি। বর্ষা এলেই দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। দ্রুত রাস্তার সংস্কার করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।"
এছাড়া আরও কয়েকজন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দা জানান, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যানজট, যানবাহনের ক্ষয়ক্ষতি এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। দ্রুত সংস্কারের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ দূর করার দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আনিসুর রহমান বলেন, “সড়কটির বিষয়টি আমাদের জানা রয়েছে। সংস্কারের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান আছে। আশা করছি, চলতি বছরের মধ্যেই উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে।”