শিবগঞ্জ(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)সংবাদদাতা: শিবগঞ্জের মনাকষা মোড়ে শিবগঞ্জ থানা পুরিশ কর্তৃক মোবাইল সেটের অর্ধেকই গায়েবের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলছে আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠেছে। প্রকৃত ঘটনা কি? কয়েকটি গোপন সূত্রে জানা গেছে গত ২৮ফেব্রুয়ারী শিবগঞ্জ মনাকষা মোড়ে গোপন সংবাদেও বিত্তিতে সন্দেহজনক একটি মোটরসাইকেল তল্লাশী করে ১২০টি মোবাইল সেট একটি মোটরসাইলেক সহ দুইজন চোরাকারবারীকে আটক করে শিবগঞ্জ থানার এস আই এমরান হোসেনের নেতৃত্বে একজন শিক্ষানীবিশ এ এসপি ও দুই জন এ এস আই সহ পুলিশের একটি দল। আটককৃত দুইজন হলো শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর মোন্না পাড়া গ্রামে মোঃ ডালিম রেজা (২১) এবং চাঁদপুর পন্ডিত পাড়া সাহাপাড়ার মোঃ রহিম (৩৬)। গোপন সূত্রে মতে উক্ত আটককৃত মোবাইলের মধ্যে প্রায় অর্ধেকটি অপারেশন অফিসার ইমরান হোসেইন প্রায় ১৯ লাখ টাকায় বিক্রী করেন দেন এবং অর্ধেকটি মোবাইল চালান দেন। এস আই ইমরান হোসেইন এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন এগুলো ষড়যন্ত্র। আসল ঘটনা সেদিন শিবগঞ্জ পৌরসভাধীন শিবগঞ্জ মনাকষা মোড়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমাদের একটি দল সন্দেহজনক একটি মোটর সাইকেল তল্লাশী করে ৬১টি মোবাইল সেট ও একটি মোটর সাইকেল জব্দ ও দুইজনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনায় এস আই ইমরান হোসেইন বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তবে একটি অডিও রেকর্ডে এস আই ইমরান হোসেইন আরো সাতটি মোবাইল সেট সোর্সকে দেয়া হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন।এ বিষয়ে এস আই ইমরান হোসেইনের সাথে থাকা শিক্ষানবিশ এ এস পি ফিরোজ কোন কথা বলতে রাজী হননি। ওসি(তদন্ত) শাকিল হাসান বলেন,আমি মামলার এজাহারে ৬১ টি মোবাইল সেট ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ ও দুইজনকে আটকের ঘটনা পেয়েছি। এর বেশী কিছু জানি না। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো: হুমায়ুন কবির বলেন সেদিন আমি থানায় ছিলাম না। ছুটিতে ছিলাম। তাই কিছু বলতে পারবো। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন ওয়াসিম ফিরোজ জানান,বিধি মোতাবেক এজাহারে যা উল্লেখ আছে তাই সত্য বলে ধরে নিতে বাধ্য। তারপর পর যদি কোন অভিযোগ পাই বা কোন সংবাদ প্রকাশিত হয়,সেটি তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।