সিলেটের মেয়েদের সর্ববৃহৎ সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইউনাইটেড সুপার উইমেন-এর আয়োজনে এবং ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির সহযোগিতায় সিলেট নগরীর চৌহাট্টা অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমধর্মী “রঙের বন্ধন” মেহেদী উৎসব।
এই আয়োজনে পথশিশু, ছিন্নমূল ও পথচারী বাচ্চা এবং মেয়েদের হাতে মেহেদী পরিয়ে দেওয়া হয় “রঙের বন্ধন” প্রজেক্টের মাধ্যমে।
১৯ মার্চ, রোজ বৃহস্পতিবার, দুপুর ২ ঘটিকা থেকে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড ইয়ুথ ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির সভাপতি মাওলানা মো: ছালিম আহমদ খান, উপদেষ্টা জনাব প্রশান্ত লিটন, জনাব উৎফল বড়ুয়া, জনাব সেলু বড়ুয়া এবং সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আবিদ হোসেন খানসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড সুপার উইমেন-এর কো-অর্ডিনেটর সামিহা আক্তার তাহসিন, সাবেক সভাপতি মরিয়ম কামাল মনি, কো-অর্ডিনেটর সুমাইয়া বাহার শিমু, সদস্য সাদিয়া ফেরদৌসী আঁখি, সানজিদা ফেরদৌস, ফজিলাতুন্নেছা ইনা, শুভা আক্তার, আফছানা আক্তার, জান্নাতুল ফেরদৌস, ফাহমিদা উর্মি, আমিনা কামাল ছনি, সুলতানা বেগম, সেতু বড়ুয়া প্রমুখ।
কো-অর্ডিনেটর সামিহা আক্তার তাহসিন বলেন—
“আমাদের এই ‘রঙের বন্ধন’ শুধু একটি উৎসব নয়, এটি ভালোবাসা, সহমর্মিতা এবং মানবিকতার একটি প্রতীক। সমাজের ছিন্নমূল ও পথশিশুরাও আমাদেরই অংশ—তাদের মুখে হাসি ফোটানো, তাদের ঈদের আনন্দে শামিল করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। নারীদের একটি সংগঠন হিসেবে আমরা চাই, সমাজের প্রতিটি অসহায় শিশু ও মেয়েরা ভালোবাসা ও সম্মানের সঙ্গে বাঁচুক। এই ছোট্ট উদ্যোগ তাদের জীবনে আনন্দের রঙ ছড়িয়ে দিক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
অন্যান্য বক্তারা বলেন—
“সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানোই মানবিকতার প্রকৃত পরিচয়। ‘রঙের বন্ধন’ এর মতো উদ্যোগগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়—একটু ভালোবাসা, একটু যত্নই পারে একটি শিশুর মুখে হাসি ফোটাতে। এমন মানবিক কার্যক্রম সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।”