সিলেট মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক নজিবুর রহমান নজিব বলেছেন, ৯০ দশকে স্বৈরাচার ও হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদল নেতা মিনহাজ ছিলেন অগ্রসৈনিক। দীর্ঘদিন কারা নির্যাতিত মিনহাজ অসংখ্য মামলা-হুলিয়া নিয়ে দেশ ত্যাগে বাধ্য হন। ৯০ দশকে মিনহাজরাই ছাত্রদলের রাজনীতিকে জনপ্রিয় করতে ভূমিকা রেখেছেন। প্রবাসে থেকেও মিনহাজ দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন, নিয়মিত খোঁজখবর নিয়েছেন এবং আন্দোলনকে সক্রিয় রাখতে কাজ করেছেন।
তিনি বুধবার (১২ নভেম্বর) রাতে সিলেট নগরীর আগপাড়াস্থ কো-অপারেটিভ মাঠে বৃহত্তর মিরাবাজার এলাকাবাসী ও সিলেটের বিএনপির পরিবারের উদ্যোগে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা মিনহাজুর রহমান মিনহাজের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এর আগে বিকেল ৪টায় মিনহাজুর রহমান মিনহাজকে সিলেট বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন। পরে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় তাকে সিলেট নগরীতে নিয়ে আসা হয়।
সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাকিল মুর্শেদ ও সৌমেন্দ্র সেন মিহেরের সঞ্চালানয় এবং মৌসুমী সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুল হক চৌধুরী (ভিপি মাহবুব), বিএনপি নেতা মহি উদ্দিন বাবলু, মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তারেক আহমদ খান, বিমানবন্দর থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাদির সমছু, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাহাত চৌধুরী মুন্না, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ তোহেল, বিএনপি নেতা খিজির হোসেন এনু, ঠিকাদার ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি ইফতেখার রসুল শিহাব, মহানগর বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক লোকমানুজ্জামান লোকমান, জেলা বিএনপির গণ বিষয়ক সম্পাদক শাহিদুল হক সোহেল, সিলেট মহানগর কৃষকদলের সহ সভাপতি রোটারিয়ান ইকবাল হোসেন, মহানগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মোহন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অর্জুন ঘোষ, জেলা যুবদলের সহ সভাপতি শহীদুল ইসলাম মনু, ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক সুন্না, দপ্তর সম্পাদক সিরাজ আহমেদ, বিএনপি নেতা জাবেদ কাদির, কয়সর আহমদ, আব্দুল গফফার ও আব্দুল জলিল, মহানগর যুবদলের সহ সভাপতি মোমিনুর রহমান তানিম, নজরুল ইসলাম, লোকমান তালুকদার, ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ লাকি, জেলা যুবদলের সহ সভাপতি মির্জা জায়েদ, শাহপরান থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মুনিম, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি এম আব্বাস, মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কয়েস আহমদ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা তছির আলী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা এখলাছুর রহমান মুন্না, জেলা বিএনপির সহ স্বেচ্ছাবিষয়ক সম্পাদক আহমেদ নাজিম পান্না, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাশরুর রাসেল, মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক বাহার আহমদ রুবেল, মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কল্লোল জ্যোতি বিশ্বাস জয়, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রউফ, স্পেন বিএনপি নেতা আবু জাফর রাসেল, ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, ৩৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তাজুল ইসলাম তাজ, ১৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান সুমন, জেলা যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক রাজন আচার্য্য, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম টিপু, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ লস্কর মুনিম, মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহার আলী অনিক, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোতাকাব্বির চৌধুরী সাকি, ৭নং ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহিন আজাদ, এম.সি কলেজ ছাত্রদলের সহ সভাপতি মেহেদী হাসান চৌধুরী, জিয়া মঞ্চ নেতা জাকির হোসেন, সৈয়দ নাফি আজাদ প্রমুখ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমানে পুরো দেশ যখন নির্বাচনমুখী, তখন একটি স্বার্থান্বেষী মহল নির্বাচন বিলম্বিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তারা বলেন, বাংলাদেশের জনগণের ভোটের মাধ্যমে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশকে একটি সাম্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। ইনশাআল্লাহ, জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করবে।
সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য মিনহাজুর রহমান মিনহাজ বলেন, বিএনপি পরিবার ও বৃহত্তর মিরাবাজার এলাকাবাসীর আজকের এই সংবর্ধনায় আমি কৃতজ্ঞ ও ঋণি। আমি দীর্ঘ দিন জেল খেটে ২০০৬ সালে প্রবাসে চলে যাই। কিন্তু আমার রক্তে জাতীয়তাবাদের আদর্শ। তাই বিদেশেও আমি হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে ছিলাম সামনের সাড়িতে। ভবিষ্যতে আপনাদের নিয়ে দেশ গঠন, আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রাখাই আমার লক্ষ্য। বিজ্ঞপ্তি