
মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাচেষ্টা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের সহসভাপতি মনজুরুল হক মানিক (২৮) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর মেডিক্যাল মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার মনজুরুল হক মানিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ মকবুল হোসেন হত্যাচেষ্টা মামলার অন্যতম আসামি। আন্দোলনের সময় মিছিল থেকে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র ও জনতার আন্দোলনের সময় মানিকের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ দল বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে মকবুল হোসেন নামে এক ছাত্র গুরুতর আহত হয়ে গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার পর থেকে মানিক আত্মগোপনে চলে যান। মানিকের সঙ্গে যুক্ত আরো কয়েকজন নেতাকর্মীর নাম তদন্তে উঠে এসেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। গ্রেপ্তার মানিক নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সোনাখলি গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে রংপুরে অবস্থান করছিলেন তিনি। গত আগস্ট মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকেলে মেডিক্যাল মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সম্প্রতি রংপুরে ফিরে এসে পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। আমাদের কাছে তথ্য ছিল-তিনি আবারও সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তিনি আরো বলেন, ‘যারা রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র বা দেশের স্থিতিশীলতা নষ্টের চেষ্টা করবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আইনের বাইরে কেউ নয়-যে অবস্থানেই থাকুক না কেন, সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।



