
মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের (পিআইও) অধীন টিআর/কাবিখা প্রকল্পের টাকা আত্বসাতের মামলায় ডিমলা অফিসের অফিস সহকারী মশিউর রহমানকে (৪০) গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে বিভাগীয় শহর রংপুরের সিও বাজার এলাকায় একটি বাসায় আত্বগোপনে থাকা ওই কর্মচারীকে র্যাব-১৩ নীলফামারী সিপিসি ২ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী। গ্রেফতারকৃত মশিউর রহমান দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বৈদ্যনাথপুর গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে।
জানা যায় উক্ত মশিউর রহমান বিভিন্ন প্রকল্পের টাকার হিসাবরক্ষক অফিস হতে চেক তুলে অফিসে জমা না করে স্বাক্ষর জাল করে দুই দফায় ডিমলা সোনালী ব্যাংক পিএলসি শাখা থেকে উত্তোলন করেন। প্রথমে তিনি ২৪ ডিসেম্বর/২০২৫ ও পরে ২৮ ডিসেম্বর/২০২৫ সর্বমোট ৩০ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা উত্তোলন করে গাঁ-ঢাকা দেয়। পরবর্তীতে অফিসে না আসায় উল্লেখিত টাকার বিষয়ে অফিস প্রধান সন্ধ্যান করে জানতে পারে যে, অফিস সহকারী মশিউর রহমান আসামি সোনালী ব্যাংক পিএলসি, ডিমলা শাখা হতে উক্ত টাকা উত্তোলন করে গাঁ-ঢাকা দিয়েছে। পরবর্তীতে ডিমলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফুল হক বাদী হয়ে ডিমলা থানায় একটি প্রতারণামূলকভাবে অর্থ আত্নসাৎ করার সোমবার ( ২৯ ডিসেম্বর) একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর ১৯, ধারা-৪০৬/৪২০/৪৬৭/৪০৮/৩৪ পেনাল কোড।
মামলাটি ছায়া তদন্তে নামে নীলফামারী র্যাবের সিপিসি ২ এর একটি টিম। র্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, ঘটনার পর থেকে গ্রেফতার এড়াতে আসামি মশিউর রহমান আত্নগোপনে ছিলেন। সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী এবং র্যাব-১৩, সদর কোম্পানী, রংপুর এর যৌথ আভিযানে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগরীর কোতয়ালী থানাধীন সিও বাজার এলাকার জনৈক মামুনুর রশিদের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে প্রধান পলাতক আসামি মোঃ মশিউর রহমানকে (৪০) গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতারের পর তাকে ডিমলা থানায় হস্তান্তর করা হয়।



