
মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
ডিমলায় নবম শ্রেণির ছাত্রীকে সংবদ্ধ ধর্ষণের অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ধর্ষণ বিরোধী প্রতিবাদী মানববন্ধন করেছে ছাত্রীর সহপাঠী-শিক্ষার্থীরা ও এলাকাবাসী।
নীলফামারীর ডিমলায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আটক রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আসামি করে ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করেছেন ছাত্রীর নানী। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নে ছাত্রীর সহপাঠী-শিক্ষার্থীরা এবং এলাকাবাসী জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ওই মানববন্ধন করে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের তালতলা সরকারপাড়া গ্রামের নবম শ্রেণির ওই ছাত্রী দীর্ঘদিন ধরে তার নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছিলেন। ঘটনার দিন গত রবিবার তাকে বাড়িতে রেখে সকালে তার প্রতিবন্ধী মাকে নিয়ে নানী ডাক্তার দেখাতে রংপুর যান। দুপুরে ছাত্রীটি গোসলের পর কাপড় শুকাতে দিতে বাহিরে গেলে একই গ্রামের রবিউল ইসলাম শুকারুর ছেলে কাজল রানা (২১) ও বরকত আলীর ছেলে মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪) ছাত্রীটিকে জোরপূর্বক পাশের ভুট্টা খেতে নিয়ে হাত-পা, মুখ বেঁধে সন্ধ্যা পর্যন্ত আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।
এক সময় ছাত্রী জ্ঞান ফিরে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে ফেরার পথে তার নানীর ভাই ছাত্রীটির কাছে এতক্ষণ কোথায় ছিলেন ও শরীরের অবস্থার কথা জানতে চাইলে সে ঘটনাটি খুলে বলেন।কিছুক্ষণের মধ্যে(রাতে) ছাত্রীটির মা-নানী রংপুর থেকে বাড়ি ফিরে তার কাছে বিস্তারিত জানতে পেরে তাকে ডিমলা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে ছাত্রীটির নানী বাদি হয়ে দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ডিমলা থানায় গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা নম্বর-৫, তারিখ-৬/৪/২০২৬ইং দায়ের করে। এ ব্যাপারে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)শওকত আলী সরকার বলেন, ভিকটিমের জবানবন্দি গ্রহণ ও ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে রিপোর্ট এখনো আমরা হাতে পাইনি। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



