
পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয়ে গ্রাচ্যুইটি ও আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার ও পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম বলেছেন, শিক্ষকরা হলেন সমাজের আলোকবর্তিকা, আর শিক্ষার্থীরাই আমাদের সমৃদ্ধ আগামী। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সাফল্যের ভিত্তি গড়ে তোলেন এর নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকরা। অবসর গ্রহণের পরও বিদ্যালয়ে তাঁদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে। আমরা তাঁদের এই ত্যাগ ও শ্রমকে আজীবন কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করব।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি শুধু একটি আর্থিক সহায়তা নয়, এটি তোমাদের মেধার স্বীকৃতি। বাংলাদেশ পুলিশের এই উদ্যোগ তোমাদের পড়ালেখায় আরও উদ্বুদ্ধ করবে এবং ভবিষ্যতে তোমরা দেশ ও জাতির কল্যাণে নেতৃত্ব দেবে বলে আমি বিশ^াস করি।
সোমবার (২৯ জুন) বিকাল ৩টায় পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের গ্রাচ্যুইটি ও কৃতি শিক্ষার্থীদের আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদ্যুৎ জ্যোতি চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও সিনিয়র শিক্ষক রমা রাণী চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসএমপি সিলেটের উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর ও প্রশাসন) সুদীপ্ত রায়, বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি সিলেট শাখার সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার কাওছার আহমদ হায়দরী, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী।
বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আব্দুর রহমান তালুকদার, অঞ্জন কুমার কর। উপস্থিত ছিলেন অভিভাবক প্রতিনিধি আহমদ কবির রিপন, রোমানা আক্তার।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহান আরাফাত, গীতা পাঠ করেন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী পিউ দেবী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিদ্যালয়ের ৬ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে কৃতজ্ঞতার স্মারক হিসেবে গ্রাচ্যুইটির চেক ও সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট তুলে দেন। একই সাথে ১১ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে পড়ালেখায় আরও উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কৃতি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



