
ফেঞ্চুগঞ্জের ঘিলাছড়ার বাদেদেউলি লামারগাওয়ে একটি বাড়িতে প্রতিবেশি পক্ষ নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া ফেঞ্চুগঞ্জের ইকবাল নামের একজনের নাম গত শুক্রবার প্রতিদিনের খবরের সংবাদে প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর ফেঞ্চুগঞ্জের ইকবাল চৌধুরী নামে একজন পত্রিকার সম্পাদক কে ফোন করে বলেন তিনি যাননি বা জড়িত নয়। তিনি প্রতিবাদ জানান। তখন সম্পাদক গণমাধ্যম নীতিমালার আলোকেই প্রতিবাদ প্রকাশিত হবে বলে তাকে আশ্বস্ত করেন।
বাদীর বক্তব্য, সংবাদে বাদীর বক্তব্যে ইকবাল নাম উঠে এসেছিল। ইকবাল চৌধুরী সম্পাদককে ফোন করার পর সংবাদ টীম বাদীর সাথে যোগাযোগ করলে বাদী বলেন গত বৃহস্পতিবারে ইকবাল নামে একজন সহ কয়েকজন এসেছিলেন। ইকবাল সাহেবের সাথে যারা এসেছিলেন তারা যে ভিডিও পাবলিশ করেছেন তাতেও তাকে দেখা যায় ও নাম উঠে আসে। কোন ইকবাল আমরা জানিনা। যেহেতু তিনি পত্রিকার সাথে যোগাযোগ করেছেন তাহলে তো তিনিই। তার বিষয়ে আমাদের আপত্তি নেই। এমন খারাপ কিছু তিনি ঘটনাস্থলে বলেননি বা করেননি। তবে তার সাথে আসা লোকজন শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছেন। তারা এমপি বিএনপির নাম ব্যাবহার করেছেন। পুলিশকে ও তারা সাথে করে নিয়ে এসেছিলেন। এই প্রতিবেশীরা বিগত মাস দুয়েক থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লোকজন এনে হয়রানি করছেন। ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন।
প্রতিবেদকের বক্তব্য-বাদী সাদিকা সুলতানার মামলা দায়েরের এজহার কপি, বক্তব্য, ভিডিও ও ছবি, গত বৃহস্পতিবারে ঘটনার ভিডিও, ছবি, কোর্টে চলমান শফি মামলার ডকুমেন্টস সহ অন্যান্য প্রমানাদীর ভিত্তিতেই সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। গণমাধ্যম নীতিমালা অনুযায়ী সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে অন্যান্য পত্র পত্রিকায় ও সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। এখানে সম্পাদক ও প্রতিবেদকের কোন দায় বা বক্তব্য নেই।


