
মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
ঋতু পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় অনুভূত হইতেছে আগাম শীতের আমেজ। কয়েক দিন ধরে ভোরের পাশাপাশি সন্ধ্যার পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে শীতল ও হিমেল বাতাস। ফলে রাত ও ভোরের পরিবেশে ঠান্ডার অনুভূতি হচ্ছে।
ডিমলা উপজেলায় দিনের বেলায় শরতের রোদ ও গরমের উষ্ণতা থাকলেও ভোর ও সন্ধ্যার পর চিত্র একেবারেই ভিন্ন। ভোরে মাঠ-ঘাট, সড়ক ও খোলা প্রান্তরে হালকা কুয়াশার আবরণ দেখা যাচ্ছে। সন্ধ্যা নামার পর বাতাসে ঠান্ডার অনুভূতি হচ্ছে। গ্রামীণ জনপদে সন্ধ্যার পর বাইরে বের হলে শরতের তুলনায় ভিন্ন ধরনের শীতলতা অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলার খোলা মাঠ, নদী ও চরাঞ্চল এবং গ্রামীণ সড়কগুলোতে ভোরের কুয়াশা প্রকৃতিতে তৈরি করছে সুন্দর পরিবেশ। শরতের স্নিগ্ধ সৌন্দর্যের সঙ্গে কুয়াশার চাদরে জানান দিয়ে ঋতু পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছে।
কয়েক জন স্থানীয় বলেন কয়েক দিন ধরে ভোরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হালকা কুয়াশা পড়ছে। কোথাও কোথাও সন্ধ্যার পরও কুয়াশার আবরণ দেখা যাচ্ছে। সেই জন্য আগেভাগেই শীতের আবহাওয়ায় একটা আলাদা অনুভূতি পাওয়া যাইতেছে বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে বিশেষ করে মাঝরাতে গায়ে কম্বল নিতে হয়। ফলে অনেকেই আগেভাগেই শীতের পোশাক ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। এ বিষয়ে ডিমলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: সবুর মিয়া বলেন, ডিমলা উপজেলা হিমালয় কাছাকাছি হওয়ায় এ অঞ্চলে দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় এই উপজেলায় শীতের প্রভাব আগেভাগেই অনুভূত হয়।
উপজেলার এক কৃষক বলেন, আমাদের এলাকায় কয়েক দিন ধরে সকালে ও সন্ধ্যায় হালকা কুয়াশার পাশাপাশি হিমেল বাতাস অনুভূত হচ্ছে। শরতের আবহের মধ্যেই আগাম শীতের একটা আমেজ পাওয়া যাচ্ছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়টায় প্রকৃতির এমন পরিবর্তন বেশ ভালই লাগতেছে। ডিমলা উপজেলার প্রকৃতিতে এখন যোগ হয়েছে কুয়াশার সুন্দর পরিবেশ। দিনের আলোয় শরতের রূপ আর ভোর ও রাতের প্রকৃতির হিমেল বাতাসে শীত জানান দিচ্ছে এবং ধীরে ধীরে এগিয়ে আসতেছে শীতের মৌসুম।



