Tuesday, October 20, 2026
Tuesday, October 20, 2026
Homeসারা বাংলাচৈতালী সংঘের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস।

চৈতালী সংঘের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস।

সিলেট নগরীর দাড়িয়াপাড়াস্থ চৈতালী সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত শারদীয় দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস ও তাঁর সহধর্মিনী।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত ১০টায় তিনি ঐতিহ্যবাহী এই পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান। মণ্ডপে পৌঁছালে তাঁকে ও তাঁর সহধর্মিনীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান চৈতালী সংঘ ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
পরিদর্শনকালে সংক্ষিপ্ত সভায় তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি সম্প্রীতি, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের এক অনন্য মিলনমেলা। সিলেটের চমৎকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর পরিবেশ দেখে আমি অভিভূত। ভারত ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য গভীরভাবে যুক্ত, আর এ ধরনের ধার্মিক উৎসব দুই দেশের মৈত্রী ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করে। তিনি বর্ণাঢ্য আয়োজনের জন্য চৈতালী সংঘের প্রশংসা করেন এবং ভক্ত ও সর্বস্তরের দর্শনার্থীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা কয়লা ও পাথর আমদানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক মো. আতিক হোসেন, সিলেট লায়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন ইঞ্জিনিয়ার আবু তাহের, লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট হলি সিটির সাবেক সভাপতি লায়ন সাজুওয়ান আহমদ।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চৈতালী সংঘের প্রধান উপদেষ্টা সুজিত দে, বিশেষ উপদেষ্টা গোবিন্দ রায়, রতন বণিক, উপদেষ্টা উত্তম চৌধুরী, নিহার রঞ্জন দাস বাচ্চু, সভাপতি অ্যাডভোকেট অশেষ কর, সহ-সভাপতি গৌতম বণিক, মদন মোহন কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক চন্দন সাহা, সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্মল রায় রাজা, অর্থ সম্পাদক পংকজ দাস, পূজা অর্চ্চনা ও পরিচালনা উপ-পরিষদের আহ্বায়ক বিপ্রজীত দত্ত বিরাজ, যুগ্ম আহ্বায়ক বিশাল রুদ্র সেন, প্রসাদ বিতরণ উপ-পরিষদের আহ্বায়ক কেশব সেন প্রমুখ। পূজা মন্ডব পরিদর্শন শেষে সংঘের সাধারণ সম্পাদক চন্দন সাহার বাসভবনে সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস ও তাঁর সহধর্মিনী সহ অতিথিরা চা চক্রে মিলিত হন।
অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পুরো এলাকা বর্ণিল আলো ও উৎসবের আমেজে মুখর হয়ে ওঠে, যা সামাজিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু দেবীর আরাধনা নয়; বরং সমাজে পারস্পরিক সম্প্রীতি, মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি চর্চাকে উৎসাহিত করা। সকল শুভানুধ্যায়ী ও স্বেচ্ছাসেবকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই আয়োজন সফল ও সার্থক হয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

সাম্প্রতিক পোস্ট

সাম্প্রতিক মন্তব্য

%d bloggers like this: