
মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় ঘন্টায় ঘন্টায় পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে গ্রাহকরা ভোগান্তিতে পড়ছে।
বেশিরভাগ সময় পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে তীব্র গরমে দুর্ভোগ বেড়েছে ডিমলা বাসির। অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে বিশেষ করে বয়স্ক শিশু, ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে আছে। ডিমলা বাসির অভিযোগ, এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকার পর আবার চলে যাচ্ছে, কখনো কখনো স্বল্প সময়ের ব্যবধানেও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। এতে স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জীবনযাত্রার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে ডিমলা পল্লী বিদ্যুতের সাব-জোনাল অফিসের কর্মকর্তা মাসুদ আলম ডিজিএম বলেন, বর্তমানে লোডশেডিংয়ের প্রধান কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে জাতীয় সঞ্চালন ব্যবস্থার মাধ্যমে পাওয়া বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়ে থাকে। তিনি আরো বলেন, তবে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য স্থানীয় বিতরণ ব্যবস্থাকে দায়ী করার সুযোগ নেই। উৎপাদন পর্যায় থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাওয়া না গেলে বিতরণ পর্যায়ে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বলেন, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের সমস্যা ফলে ডিমলা উপজেলায় ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। স্থানীয় গ্রাহকরা দাবি করে বলেন, এই পরিস্থিতি আর কতদিন চলবে কবে ডিমলা উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ডিমলা উপজেলা ও দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা অতি জরুরী।


