
মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (এ্যাব)-এর আহ্বায়ক ও নীলফামারী-১ ডোমার ডিমলা আসনের বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী শাহরীন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেছেন, ‘নৈরাজ্য, সন্ত্রাস এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রকৌশলী সমাজ সোচ্চার থাকবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সরকার ক্ষমতায় এসেছে। সরকারের পাশে থেকে দেশ গঠনে প্রকৌশলীরা ভূমিকা রাখবেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব) আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচিতে এ সব কথা বলেন তিনি।
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের পরিকল্পিত সন্ত্রাস, নৈরাজ্য এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার প্রতিবাদে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এর সামনে এ কর্মসূচি পালন করে প্রকৌশলী সমাজ। অবস্থান কর্মসূচিতে এ্যাবের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলীরা অংশ নেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন দেখা যায়। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘রক্তে কেনা এই দেশ, ফ্যাসিবাদের দিন শেষ’ ‘ষড়যন্ত্র হাতে গড়ি দেশ, নৈরাজ্য করবো শেষ। ‘রাজপথে প্রকৌশলীদের ডাক, অরাজকতা দূর হয়ে যাক।সন্ত্রাস রোধ করবে, শান্তি আনবে’ নৈরাজ্যের চক্রান্ত, প্রকৌশলীরা রুখবে আজই। এবং প্রকৌশলীরা আছি রাজপথে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একসাথে।
বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহরীন ইসলাম চৌধুরী তুহিন আরও বলেন, ‘বিভিন্ন দেশি-বিদেশি শক্তির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। এর প্রতিবাদে প্রকৌশলী সমাজ অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্সের ব্যানারে এবং আইইবি চত্বরে অবস্থান নিয়েছে। দেশের আনাচে-কানাচে যারা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। প্রকৌশলী শাহরীন ইসলাম তুহিন বলেন, ‘দুই-চারটা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সরকারের কিছু হবে না এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। তাই এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। সরকার সজাগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসী ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করতে সরকারকে সহযোগিতা করবে প্রকৌশলী সমাজ।
সমাবেশে প্রকৌশলীরা বলেন, প্রকৌশলীসহ পেশাজীবী সমাজ দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ব্যাহত হয়। তারা বলেন, দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনৈতিক দল ও পেশাজীবী সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।একই সঙ্গে গুজব, উসকানি ও সহিংসতা ছড়ানোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানায় বক্তারা।


