
মো: জাহিদুল ইসলাম,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি।
নীলফামারীর সার্বিক উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং টেকসই অগ্রযাত্রায় অব্যাহতভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন। তিনি বলেছেন, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান ও মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় নীলফামারী গড়ে তোলাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। মানুষের আস্থা, ভালোবাসা ও সহযোগিতাকে শক্তি হিসেবে নিয়ে তিনি আগামীতেও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকতে চান।
সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, নীলফামারীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান, যুব উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানবিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে তিনি নিজের অবস্থান থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। ভবিষ্যতেও জেলার স্বার্থে এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিন বলেন, “নীলফামারী আমার প্রাণের জেলা। এ জেলার মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। মানুষের পাশে থেকে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সাধ্যমতো কাজ করে যেতে চাই। একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় নীলফামারী গড়ে তোলাই আমার অঙ্গীকার। তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের সুফল সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। দল-মত নির্বিশেষে জেলার বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
জেলার বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষাবিষয়ক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী মহলের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়, গণসংযোগ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অংশগ্রহণ স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা এবং তরুণদের উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তাঁর মতামত ও কর্মকাণ্ড মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। স্থানীয় অনেকের মতে, উন্নয়নমুখী চিন্তাভাবনা এবং তরুণদের সঙ্গে ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছেও একজন পরিচিত ও অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব। স্থানীয়দের মতে, উন্নয়ন নিয়ে তাঁর সুস্পষ্ট অঙ্গীকার এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ জেলার উন্নয়ন ভাবনায় ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। তাঁদের বিশ্বাস, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে নীলফামারীর সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য,ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন নীলফামারী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং মরহুমা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে। বর্তমানে তিনি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (অ্যাব)-এর আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বাবা প্রফেসর এম. রফিকুল ইসলাম দেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও লেখক। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার সাবেক উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম রব্বানী প্রধান বলেন, প্রিয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ডোমার-ডিমলা অঞ্চলের শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর উদ্যোগে বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক পাকাকরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ভবন নির্মাণ ও সম্প্রসারণ, একাধিক স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্তির উদ্যোগ, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। পাশাপাশি মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি এবং তরুণদের কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগে সহায়তার বিষয়টিও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচিত।
এলাকাবাসীর মতে, তাঁর দায়িত্বকালে শিক্ষা, যোগাযোগ, সামাজিক অবকাঠামো এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়। বর্তমানে তিনি নীলফামারীর উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে জেলার সার্বিক অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আসছেন।



